5:16 am, Saturday, 20 June 2026

ফিলিপাইনে মাংসের চেয়ে পেঁয়াজের দাম বেশি

অনলাইন ডেস্ক:: ফিলিপাইনে এখন পেঁয়াজ খাওয়া মানে বিলাসিতা। প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম স্থানীয় মুদ্রায় ৭০০ পেসো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা। দেশটির অবস্থা এখন এমন, যেখানে মাংসের চেয়েও পেঁয়াজের দাম বেশি। ফলে অতি প্রয়োজনীয় এ পণ্যটি এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হচ্ছে, গত মাসে ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতির মুখে পড়েছে ফিলিপাইন। আর এর ফলে খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে জ্বালানি পর্যন্ত সবকিছুর দাম আকাশ স্পর্শ করেছে। অবস্থা এতই ভয়াবহ, দেশটিতে খাদ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধিকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। অবশ্য বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে চাহিদার কিছুটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে তারা।
বৈশ্বিক অর্থনীতি ও রাজনীতির প্রভাবের পাশাপাশি দেশটির খারাপ আবহাওয়াও এ সংকটের জন্য দায়ী। মূলত আবহাওয়াজনিত কারণে কয়েক মাস আগেই দেশটিকে খাদ্য সংকটের পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছিল। তার ওপর আবার পরপর দুটি বড় বড় ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সবমিলে দেশটির খাদ্য সংকট এখন চরমে। বিত্তবানরা কোনোভাবে সামলে উঠতে পারলেও দরিদ্র ও অতিদরিদ্রদের খাদ্য সংকট সবচেয়ে বেশি।
খাবারের বাজারের এই উত্তাপ আগুন ছড়িয়েছে দেশটির রাজনীতির মাঠেও। সবাই এখন পরিস্থিতির জন্য দুষছে প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রকে। কারণ ক্ষমতায় বসার আগে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে “মাদকাসক্তিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের ভ‚মিকা” শীর্ষক কর্মশালা এবং সেবাগ্রহীতাদের অংশগ্রহণে গণশুনানি-২০২৬

ফিলিপাইনে মাংসের চেয়ে পেঁয়াজের দাম বেশি

Update Time : 06:51:14 am, Saturday, 28 January 2023

অনলাইন ডেস্ক:: ফিলিপাইনে এখন পেঁয়াজ খাওয়া মানে বিলাসিতা। প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম স্থানীয় মুদ্রায় ৭০০ পেসো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা। দেশটির অবস্থা এখন এমন, যেখানে মাংসের চেয়েও পেঁয়াজের দাম বেশি। ফলে অতি প্রয়োজনীয় এ পণ্যটি এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হচ্ছে, গত মাসে ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতির মুখে পড়েছে ফিলিপাইন। আর এর ফলে খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে জ্বালানি পর্যন্ত সবকিছুর দাম আকাশ স্পর্শ করেছে। অবস্থা এতই ভয়াবহ, দেশটিতে খাদ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধিকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। অবশ্য বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে চাহিদার কিছুটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে তারা।
বৈশ্বিক অর্থনীতি ও রাজনীতির প্রভাবের পাশাপাশি দেশটির খারাপ আবহাওয়াও এ সংকটের জন্য দায়ী। মূলত আবহাওয়াজনিত কারণে কয়েক মাস আগেই দেশটিকে খাদ্য সংকটের পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছিল। তার ওপর আবার পরপর দুটি বড় বড় ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সবমিলে দেশটির খাদ্য সংকট এখন চরমে। বিত্তবানরা কোনোভাবে সামলে উঠতে পারলেও দরিদ্র ও অতিদরিদ্রদের খাদ্য সংকট সবচেয়ে বেশি।
খাবারের বাজারের এই উত্তাপ আগুন ছড়িয়েছে দেশটির রাজনীতির মাঠেও। সবাই এখন পরিস্থিতির জন্য দুষছে প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রকে। কারণ ক্ষমতায় বসার আগে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।