স্টাফ রিপোটার: মৌলভীবাজারে এ বছর ৭টি উপজেলায় সার্বজনীন ও ব্যক্তিগত মিলিয়ে সর্বমোট ১হাজার পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গাপুজা। তবে বিগত বছরের চেয়ে এবছর পুজা মন্ডপের সংখ্যা বেড়েছে। শেষ মুহুর্তেমা দুর্গাররং তুলিতে ও সাজ সজ্জা কারিগরদের কমিঠিকে সমজিয়ে দিতে প্রস্তুুত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উতসব শারদীয় দূর্গাপুজার দিন গণনা শুরু হয়ে গেছে। আর কিছু দিন পর মন্ডপে মন্ডপে বেজে উঠবে ঢাক ঢোল। শঙ্ক আর উলু ধ্বনির মধ্যে লক্ষ লক্ষ সনাতন ধর্মালম্বীদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠবে মন্ডপ প্রাঙ্গন। পুজা মণ্ডপ ঘিরে চলছে রং তুলির আছরে শেষ মূহুর্তের সাজসজ্জা,ধোয়া-মোছা,তোরণ ও প্যান্ডেল নির্মাণের শেষ মুহুর্থের কাজ। কারিগর ও পুজা কমিঠি জানিয়েছেন জিসি পত্রের দাম বেশী থাকায় হিমশিম এবং কারিগরদের খরছ পাতি করে তেমন একটা লাভমান নয়। বিশেষ করে এশিয়া উপ মহাদেশের মধ্যে বৃহৎ কুলাউড়ার কাদিপুরের শিব বাড়ী মন্দির ও রাজনগর পাঁচগাওয়ে দেশের দুটি মন্দিরে দেবীর রং লাল রংয়ের হওয়ায় ও ত্রিনয়নী,মহেশ্বরী,আবাহণ,সবুজবাগ, শাপলা বাগের মন্ডপ গুলোতে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। উৎসব পালনের জন্য সরকারের নির্দেশনায় পূজা উদ্যাপন কমিটি সাথে বিভিন্ন স্তরে বৈঠকসহ মন্দির গুলোর নিজেদের নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে মুর্তি কারিগর একাদিকরা জানান- মন্দিরের সাজসজ্জা,রঙের কাজ৷ ধোয়া-মোছা, তোরণ ও প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ চলছে পুরোদমে। তাছাড়া মায়ের পুজো বলে কথা তাই যত কষ্ট বা পরিশ্রম হোক সময় মতো প্রতিমার কাজ শেষ করতে বিরামহীন ভাবে কাজ করছেন প্রতিমা কারিগররা। তারা কাজ করে আগের মতো লাভমান নয়।
এদিকে পুজারী/ভক্ত/ আযোজক একাদিকরা জানান- দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করায় এবারের পুজা উদযাপন নিয়ে কোন শংকা নেই বলে মনে করেন পুজার সাথে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে বৃষ্টি কিছুটা বিড়ম্বনা তৈরী করলেও দ্রুত গতিতে চলছে পুজার সার্বিক প্রস্তুতি। তবে মাঠি, খেড়, বাশসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। তাছাড়া বিগত বছরের চেয়ে এবছর দূর্গা প্রতিমার সংখ্যাও বেড়েছে। তবে প্রয়োজনীয় বসনের দামও বেড়ে যাওয়ায় তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।
স্বাগত কিশোর দাস চেšধুরী, সভাপতি, ত্রিনয়নী পুজা উদযাপন কমিঠি, মৌলভীবাজার বলেন- নিবিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহত শারদীয় দুর্গা পুজা উদযাপনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে পূজা উদ্যাপন কমিটিসহ প্রতিটি উপজেলার পুজা উদযাপন কমিটি প্রতিদিন মন্ডপে মন্ডপে মিটিং করে প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছেন।
এ বিষয়ে এম, কে, এইচ, জাহাঙ্গীর হোসেন পিপিএম, পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার বলেন- পাঁচ দিনের বৃহৎ দুর্গা পুজায় নিরাপত্তা ও এই উৎসবকে ঘিরে যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্যে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তাছাড়া মন্ডপগুলোতেও সিসি ক্যামেরাসহ কঠোর নজরদারি থাকবে।
সনাতন ধর্মালম্বীদরে সর্ব বৃহৎ দুর্গাপুজা সুষ্টু ও শান্তিপুর্নভাবে অনুষ্টিত হবে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

নিজস্ব প্রতিবেদক 




























