6:40 am, Friday, 17 April 2026

গাজা বিজয়ী হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই চলবে : হিজবুল্লাহ

ডেস্ক রিপোর্ট ::ইসরায়েল সরকারের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে প্রতিরোধ অক্ষের ‘মহান বিজয়’ সুনিশ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননভিত্তিক প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়েদ হাসান নাসরাল্লাহ।

আন্তর্জাতিক কুদস দিবস উপলক্ষে শুক্রবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে সম্প্রচারিত টেলিভিশন ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর রমজানের শেষ শুক্রবার বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়।

বক্তব্যে নাসরাল্লাহ বলেন, ‘প্রতিরোধশক্তি ও গাজা বিজয়ী হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছি যা ইসরায়েলের অস্তিত্বকে সংকটে ফেলেছে এবং এর (ইসরায়েল) ভঙ্গুরতাকে উন্মোচন করেছে।’

দক্ষিণ ইসরায়েলে গাজার শাসক দল হামাসের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন থেকেই উপত্যকায় গণবিনাশী হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল সরকার ও তার সমর্থকদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো।

নাসরাল্লাহ বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা গাজা, (দখলকৃত) পশ্চিম তীর, লেবানন, ইয়েমেন ও ইরাকে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছি এবং তাতে অবিচল থাকব। এটি এমন এক যুদ্ধ যেটিতে আমরা বিজয়ের পথে।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

গাজা বিজয়ী হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই চলবে : হিজবুল্লাহ

Update Time : 07:47:06 am, Saturday, 6 April 2024

ডেস্ক রিপোর্ট ::ইসরায়েল সরকারের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে প্রতিরোধ অক্ষের ‘মহান বিজয়’ সুনিশ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননভিত্তিক প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়েদ হাসান নাসরাল্লাহ।

আন্তর্জাতিক কুদস দিবস উপলক্ষে শুক্রবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে সম্প্রচারিত টেলিভিশন ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি বছর রমজানের শেষ শুক্রবার বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়।

বক্তব্যে নাসরাল্লাহ বলেন, ‘প্রতিরোধশক্তি ও গাজা বিজয়ী হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছি যা ইসরায়েলের অস্তিত্বকে সংকটে ফেলেছে এবং এর (ইসরায়েল) ভঙ্গুরতাকে উন্মোচন করেছে।’

দক্ষিণ ইসরায়েলে গাজার শাসক দল হামাসের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন থেকেই উপত্যকায় গণবিনাশী হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল সরকার ও তার সমর্থকদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো।

নাসরাল্লাহ বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা গাজা, (দখলকৃত) পশ্চিম তীর, লেবানন, ইয়েমেন ও ইরাকে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছি এবং তাতে অবিচল থাকব। এটি এমন এক যুদ্ধ যেটিতে আমরা বিজয়ের পথে।’