ডেস্ক রিপোর্ট : ২০১৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে রানারআপ হয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে নিউইয়র্ক থেকে রওনা দিয়ে আর্জেন্টিনার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বুয়েনস আইরেসের এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় দলটি।
তবে দলের সব ফুটবলার একসঙ্গে দেশে ফেরেননি।
মেসি-দে পলরা রয়ে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রেই।
বিমানবন্দরে নামার পরপরই রানওয়েতে খেলোয়াড়দের রাজকীয় সংবর্ধনা দেয় গ্রেনেডিয়ার রেজিমেন্ট। চারদিকে বেজে ওঠে আর্জেন্টাইনদের উৎসবের গান ‘মুচাচোস’।
আর বিমানবন্দর এলাকার বাইরে তখন প্রিয় তারকাদের একনজর দেখতে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়। স্কোয়াডের ২৬ জনের মধ্যে ১৬ জন দেশে ফিরলেও বাকি ১০ জন ফুটবলার ছুটি কাটাতে বা নিজেদের ক্লাবের সঙ্গে যোগ দিতে সরাসরি অন্য দেশে চলে গেছেন।
কড়া পুলিশি পাহারায় একটি ছাদখোলা বাসে করে খেলোয়াড়দের নিয়ে যাওয়া হয় ‘লিওনেল আন্দ্রেস মেসি’ ট্রেনিং গ্রাউন্ডে। পুরো পথেই ভক্তদের গান, স্লোগান আর উড়ন্ত পতাকার ভালোবাসায় সিক্ত হন ফুটবলাররা। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ থাকলেও, দেশের সম্মান তুলে ধরায় দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে আগে থেকে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই সেখানে জড়ো হন হাজারো মানুষ।
ভক্তদের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় মুগ্ধ এএফএ (আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন)। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘মাঠে আমাদের প্রতিটি খেলোয়াড় এই সমর্থন অনুভব করেছে। যে দেশের মানুষ আমাদের ওপর কখনোই বিশ্বাস হারায়নি, তাদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে দলের প্রতিটি সদস্য গর্বিত। টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন হয়তো পূরণ হয়নি, কিন্তু ভক্তদের সাথে আমাদের যে আত্মিক বন্ধন, তা যেকোনো ফলাফলের চেয়েও বড়।’

নিজস্ব প্রতিবেদক 

























