স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজারে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধুকে পৈচাশিক কায়দায় গাছে বেঁধে পিটানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গৃহবধু নাসিমা বেগম। এসময় মাকে বাঁচাতে আসলে তার স্কুলে পড়োয়া মেয়েকে মেরে মারাত্নক আহত করেছে বলে দাবী করেছেন তিনি। বর্তমানে মেয়েটি এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এসময় শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মৌলভীবাজার মডেল থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ তাকে পাগল বলে তাড়িয়ে দেয়। ঘটনার ৩ দিন পর তার স্বাক্ষর পুলিশ নিজে দিয়ে একটি মামলা রেকর্ড করে। মামলা নং-৩৩, তারিখ: ১৯/০৯/২৬ ইং। এই মামলায় কিছু ত্রুটি দেয়া যায়। বর্তমানে ওই গৃহবধূকে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি ও নানা ভয়ভীতি প্রদর্শনে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে নাসিমা বেগম জানান, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১০নং নাজিরাবাদ ইউপি বড়ইউড়ি গ্রামের শানুর মিয়া স্ত্রী। স্বামী-শানুর মিয়া, দেবর সাদত মিয়া, জ্যা সাকিয়া বেগম, ননরি স্বামী মোবারক মিয়া), ভাসুর জয়নাল মিয়া, মিলে আমার স্বামীকে গোপনে ২য় বিয়ে করিয়ে সন্তান সহ তাহাদের পরিবার থেকে বিতাড়িত করে পায়তারা করছেন। স্বামীর বাড়ী হতে যেতে না চাইলে সকলে তাকে ও সন্তানদের জোড়পূর্বক বাহির করে দিতে চায়। বেশ কিছু দিন আগে নাসিমা বেগমকে বাড়ি ছেড়ে যেতে না চাইলে ভাসুর জয়নাল মিয়া দা দিয়ে তাহার মাথায় ছেদ মারে। হাসপাতালে নেওয়ার পর ৫ টি সেলাাই লাগে। ঔই সময় মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেন। আভিযোগের ভিক্তিতে পুলিশ এবিষয়ে তদন্ত করে। পুলিশ কেন বাড়িতে আসে এ বিষযটি নিয়ে গত ১৭/০৯/২৬ ইং উক্ত উপরোক্তো ব্যক্তিরা হাতে দা, কাঠের রুল, লোহার রড নিয়ে বাড়ী হতে টানা হেঁছড়া করে বাহিরে নিয়ে মন্টু মিয়ার ও রিকান মিয়ার হুকুমে দেবর সাদত মিয়া ধারালো দা দিয়ে আমার মুখে ছেদ মেরে আমায় ডান চোখের নিচে মারাত্মক জখম করে। মন্টু মিয়ার ও রিকান মিয়াও মিলে মারধোর করে তাকে গাছের মধ্যে বেঁধে উলঙ্গ করে মারতে থাকে। তখন তার মেয়ে স্কুল হতে বাড়িতে ফেরার পথে তাকে গাছের সাথে বাঁধা দেখে এগিয়ে আসলে মেয়েকে সারা শরীরে এলোপাতাড়ী লাথি, কিল, ঘুষি মেরে মারাত্মক জখম করে। একপর্যায়ে তার স্বামী মেয়েকে পঙ্গু করার উদ্দেশ্যে তাহার দুই পায়ের হাটুতে আঘাত করে। চাচী সাফিয়া বেগম, ভাসুরের ছেলে অপু মিয়া মেয়ে তলপেট ও গোপনাঙ্গ বরাবার স্বজোড়ে লাথি মেরে মারাত্মক গুরুত্বর জখম করলে সাথে-সাথে মেয়ের গোপনাঙ্গ হতে রক্তপাত হওয়া শুরু হয়। মোবারক মিয়া, জয়নাল মিয়া মেয়ের পড়নের কাপড়-চোপড় খোলে নেয়। আহত মেয়ের রক্তপাত বন্ধ হচ্ছেনা দেখে মরনাপন্ন অবস্থা লোকজন এসে তাকে ও মেয়ে অজ্ঞান অবস্থায় কে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মৌলভীবাজার সদর হাসাপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জ্ঞান ফিরিলে কর্তব্যরত ডাক্তার নাসিমা বেগমকে ভর্তি করেন। কিন্তু মেয়ের অবস্থা বেগতিক ও তাহার রক্তপাত বন্ধ হচ্ছেনা দেখে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রেফার্ড করেন। বর্তমানে আমার মেয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বর্তমানে নাসিমা বেগম তাদের ভয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন।
5:57 am, Thursday, 1 October 2026
News Title :
মৌলভীবাজারে গৃহবধুকে গাছে বেধেঁ পিটানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - Update Time : 11:40:03 am, Tuesday, 29 September 2026
- 36 Time View
Tag :
Popular Post
























