12:51 pm, Friday, 4 September 2026

মৌলভীবাজার জুয়া ও মাদকের ভয়াবহ বিস্তার-অপরাধের ঝুঁকিতে শহর, ধ্বংসের পথে কিশোর-যুব সমাজ (পর্ব-১)

May 27, 2026,

মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী : বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলা সদরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগজনকভাবে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক।

বিশেষ করে কিশোর-যুব সমাজ দ্রুত এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যৎ সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুধু যুবক নয়, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অনেক ছেলে-মেয়েও বর্তমানে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন্ধুমহল, সহপাঠীদের প্রভাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, অনিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট ব্যবহার এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ধীরে ধীরে বিপথগামী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, কিছু শিক্ষার্থী প্রথমে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পার্টি কিংবা গোপন মেলামেশার মাধ্যমে মাদকের সঙ্গে পরিচিত হয়। পরে তা ভয়ংকর আসক্তিতে রূপ নেয়। একইভাবে অনলাইন বেটিং, মোবাইলভিত্তিক জুয়া ও গেমিং অ্যাপে টাকা লেনদেনের প্রবণতাও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মৌলভীবাজার পৌর শহরের পশ্চিম বড়হাট, পশ্চিম বাজারের মনুঘাট এলাকার সাবেক লালকিল্লা হোটেল সংলগ্ন স্থান থেকে শুরু করে নদীর পাশ ঘেঁষে শাহবন্দর পৌর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে মাদক কেনাবেচা হয় এবং সেখানে কিশোর-যুবকদের আনাগোনাও বাড়ছে।

এছাড়াও শহরের বাসস্ট্যান্ড, কুদালিপুল, রঘুনন্দনপুর, ওয়াপদা এলাকা, বনবিথী, টেক্সটাইল রোড এবং ইকোপার্ক সংলগ্ন এলাকাতেও মাদক সংশ্লিষ্ট তৎপরতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসন যদি গোপনে তদন্ত পরিচালনা করে, তাহলে সক্রিয় মাদক কারবারি এবং তাদের পেছনের গডফাদারদের পরিচয় বেরিয়ে আসতে পারে।

শুধু তাই নয়, শহরের সৈয়ারপুর, কাশিনাথ এলাকা, ফরেস্ট রোড, ক্লাব রোড ও শমসেরনগর রোডের বিভিন্ন স্থানেও মাদক সেবন ও বিক্রির বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে ছড়ারপার, মাতারকাপন, শিমুলতলা বাজার সংলগ্ন কয়েকটি কলোনিতে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের আসর বসে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন। তবে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, যেসব এলাকায় মাদকের আখড়ার অভিযোগ রয়েছে, সেসব এলাকার অনেক চায়ের দোকান ও আড্ডাকেন্দ্রে প্রকাশ্যে অনলাইন জুয়ার আসরও চলছে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রিকেট বেটিং, অনলাইন ক্যাসিনো, বিভিন্ন গেমিং অ্যাপে টাকা লেনদেন এখন অনেক তরুণের নেশায় পরিণত হয়েছে। এতে তারা ধীরে ধীরে অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জুয়া ও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সমাজ থেকে অপরাধ দমন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ বর্তমানে সংঘটিত বহু অপরাধের পেছনে মাদকাসক্তি ও অর্থের লোভ বড় ভূমিকা রাখছে।

ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, চুরি, ছিনতাই, ব্ল্যাকমেইল, কিশোর গ্যাং সহিংসতা, সাইবার অপরাধ এমনকি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও এসবের সম্পর্ক পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমানে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ বৃদ্ধির পেছনেও মাদক ও নৈতিক অবক্ষয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে। মাদক একজন মানুষের বিবেক, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মানবিকতা ধ্বংস করে দেয়।

ইয়াবা, আইসসহ বিভিন্ন মাদক দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে সহিংসতা, বিকৃত মানসিকতা ও অস্বাভাবিক যৌন আচরণের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের মত।

অন্যদিকে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল কনটেন্টের বিস্তারও আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনেক কিশোর-কিশোরী নিয়ন্ত্রণহীনভাবে এসব কনটেন্টে আসক্ত হয়ে বাস্তবতা ও বিকৃত কল্পনার পার্থক্য হারিয়ে ফেলছে। এর প্রভাব সমাজে ভয়াবহভাবে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

স্থানীয়দের মতে, অনেক পরিবার সামাজিক লজ্জা বা মানসম্মানের ভয়ে মাদকাসক্ত সদস্যদের বিষয় গোপন রাখছে। ফলে সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সচেতন নাগরিকদের মতে, পরিবার থেকে সচেতনতা শুরু না হলে শুধু প্রশাসনিক অভিযান দিয়ে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

সংশ্লিষ্টদের অভিমত, অপরাধ দমন করতে হলে পরিবার, সমাজ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম, সচেতন নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

পাশাপাশি মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত, নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, নৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি। নইলে একটি প্রজন্ম ধীরে ধীরে অন্ধকারের দিকে হারিয়ে যাবে, আর সমাজে বাড়তেই থাকবে সহিংসতা, ধর্ষণ ও ভয়ংকর অপরাধ।

লেখক : মো: মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রবীনআইনজীবী, বর্ষীয়ান সাংবাদিক কলামিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান মুজিব দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকের পিপি নিযুক্তঃ বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন

মৌলভীবাজার জুয়া ও মাদকের ভয়াবহ বিস্তার-অপরাধের ঝুঁকিতে শহর, ধ্বংসের পথে কিশোর-যুব সমাজ (পর্ব-১)

Update Time : 04:34:03 pm, Wednesday, 27 May 2026

May 27, 2026,

মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী : বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলা সদরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগজনকভাবে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক।

বিশেষ করে কিশোর-যুব সমাজ দ্রুত এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যৎ সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুধু যুবক নয়, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অনেক ছেলে-মেয়েও বর্তমানে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন্ধুমহল, সহপাঠীদের প্রভাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, অনিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট ব্যবহার এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ধীরে ধীরে বিপথগামী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, কিছু শিক্ষার্থী প্রথমে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পার্টি কিংবা গোপন মেলামেশার মাধ্যমে মাদকের সঙ্গে পরিচিত হয়। পরে তা ভয়ংকর আসক্তিতে রূপ নেয়। একইভাবে অনলাইন বেটিং, মোবাইলভিত্তিক জুয়া ও গেমিং অ্যাপে টাকা লেনদেনের প্রবণতাও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মৌলভীবাজার পৌর শহরের পশ্চিম বড়হাট, পশ্চিম বাজারের মনুঘাট এলাকার সাবেক লালকিল্লা হোটেল সংলগ্ন স্থান থেকে শুরু করে নদীর পাশ ঘেঁষে শাহবন্দর পৌর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে মাদক কেনাবেচা হয় এবং সেখানে কিশোর-যুবকদের আনাগোনাও বাড়ছে।

এছাড়াও শহরের বাসস্ট্যান্ড, কুদালিপুল, রঘুনন্দনপুর, ওয়াপদা এলাকা, বনবিথী, টেক্সটাইল রোড এবং ইকোপার্ক সংলগ্ন এলাকাতেও মাদক সংশ্লিষ্ট তৎপরতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসন যদি গোপনে তদন্ত পরিচালনা করে, তাহলে সক্রিয় মাদক কারবারি এবং তাদের পেছনের গডফাদারদের পরিচয় বেরিয়ে আসতে পারে।

শুধু তাই নয়, শহরের সৈয়ারপুর, কাশিনাথ এলাকা, ফরেস্ট রোড, ক্লাব রোড ও শমসেরনগর রোডের বিভিন্ন স্থানেও মাদক সেবন ও বিক্রির বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে ছড়ারপার, মাতারকাপন, শিমুলতলা বাজার সংলগ্ন কয়েকটি কলোনিতে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের আসর বসে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন। তবে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, যেসব এলাকায় মাদকের আখড়ার অভিযোগ রয়েছে, সেসব এলাকার অনেক চায়ের দোকান ও আড্ডাকেন্দ্রে প্রকাশ্যে অনলাইন জুয়ার আসরও চলছে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রিকেট বেটিং, অনলাইন ক্যাসিনো, বিভিন্ন গেমিং অ্যাপে টাকা লেনদেন এখন অনেক তরুণের নেশায় পরিণত হয়েছে। এতে তারা ধীরে ধীরে অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জুয়া ও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সমাজ থেকে অপরাধ দমন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ বর্তমানে সংঘটিত বহু অপরাধের পেছনে মাদকাসক্তি ও অর্থের লোভ বড় ভূমিকা রাখছে।

ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, চুরি, ছিনতাই, ব্ল্যাকমেইল, কিশোর গ্যাং সহিংসতা, সাইবার অপরাধ এমনকি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও এসবের সম্পর্ক পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমানে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ বৃদ্ধির পেছনেও মাদক ও নৈতিক অবক্ষয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে। মাদক একজন মানুষের বিবেক, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মানবিকতা ধ্বংস করে দেয়।

ইয়াবা, আইসসহ বিভিন্ন মাদক দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে সহিংসতা, বিকৃত মানসিকতা ও অস্বাভাবিক যৌন আচরণের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের মত।

অন্যদিকে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল কনটেন্টের বিস্তারও আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনেক কিশোর-কিশোরী নিয়ন্ত্রণহীনভাবে এসব কনটেন্টে আসক্ত হয়ে বাস্তবতা ও বিকৃত কল্পনার পার্থক্য হারিয়ে ফেলছে। এর প্রভাব সমাজে ভয়াবহভাবে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

স্থানীয়দের মতে, অনেক পরিবার সামাজিক লজ্জা বা মানসম্মানের ভয়ে মাদকাসক্ত সদস্যদের বিষয় গোপন রাখছে। ফলে সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সচেতন নাগরিকদের মতে, পরিবার থেকে সচেতনতা শুরু না হলে শুধু প্রশাসনিক অভিযান দিয়ে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

সংশ্লিষ্টদের অভিমত, অপরাধ দমন করতে হলে পরিবার, সমাজ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম, সচেতন নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

পাশাপাশি মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত, নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, নৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি। নইলে একটি প্রজন্ম ধীরে ধীরে অন্ধকারের দিকে হারিয়ে যাবে, আর সমাজে বাড়তেই থাকবে সহিংসতা, ধর্ষণ ও ভয়ংকর অপরাধ।

লেখক : মো: মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী, সাংবাদিক, কলামিস্ট, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী।